দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আবার চাল আমদানি শুরু হয়েছে। গত ১৩-৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে প্রায় ১৫ হাজার টন চাল আমদানি হয়েছে। তবে আমদানির প্রভাব এখনো সাতক্ষীরার চালের বাজারগুলোয় পড়েনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সাতক্ষীরার ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের ১৩ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে বিভিন্ন প্রকার চাল আমদানি হয় ১৪ হাজার ৪৯৩ টন। যার আমদানি মূল্য ছিল ৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আমদানীকৃত এসব চালের মধ্যে রয়েছে চিকন বাসমতী, মিনিকেট ও মোটা স্বর্ণা ও জামাইবাবু জাতের চাল।
সাতক্ষীরা জেলা সদরের বৃহৎ মোকাম সুলতানপুর বড় বাজারের চাল ব্যবসায়ী জাহিদ হোসেন জানান, ভারত থেকে চাল আমদানির পর দেশী চালের বাজারে এখনো তার কোনো প্রভাব পড়েনি। গতকাল তিনি চিকন বাসমতী চাল প্রতি কেজি ৭৮ টাকা, চিকন আটাশ জাতের চাল কেজিপ্রতি ৫৮-৫৯ টাকা ও মোটা জাতের চাল ৪৮-৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এছাড়া এ সময় আমদানীকৃত মোটা স্বর্ণা ও জামাইবাবু জাতের চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৫০ টাকা।
উত্তরবঙ্গের চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোনালী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কামাল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত সরকার চাল রফতানি শুরু করেছে। অন্যান্য বন্দরের পাশাপাশি ভোমরা বন্দর দিয়ে চাল আমদানি করছে তার প্রতিষ্ঠান। তবে মাত্র দুই সপ্তাহ আগে আমদানি শুরু হওয়ায় তার প্রভাব এখনো দেশী চালের বাজারে পড়েনি।’
সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান, বর্তমান সাতক্ষীরার চালের বাজার স্থিতিশীল। তবে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরুর কারণে শিগগিরই পণ্যটির দাম কমতে পারে।